সৃষ্টিজগতের ভর কেন্দ্র হ’ল ‘তাওহীদ’। একইভাবে ইসলামের মূল হ’ল ‘তাওহীদ’। তাওহীদ অর্থالْإِعْتِقَادُ بِأَنَّ اللهَ وَاحِدٌ لاَشَرِيْكَ لَهُ আল্লাহ এক, তাঁর কোন শরীক নেই, একথা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করা। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত, তিনি স্থায়ী ও চিরঞ্জীব। তিনিই রূযীদাতা, তিনিই পালনকর্তা, তিনি বিধানদাতা ও সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। তিনি ব্যতীত অন্য কেউই আমাদের শর্তহীন আনুগত্য ও উপাসনা পাবার যোগ্য নয়। তিনি ব্যতীত অন্য কারু দরবারে মানুষের উন্নত মস্তক অবনত হবেনা।
Share:
SKU:SBHFB-56
Category:হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
Tags:N/A
আল্লাহর দাসত্বের অধীনে সকল মানুষের অধিকার সমান। এই সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র হ’ল ‘তাওহীদ’। যা মানুষকে সকল প্রকারের গোলামী হ’তে মুক্ত করে এবং শুধুমাত্র আল্লাহর গোলামীর মাধ্যমে সত্যিকারের স্বাধীন মানুষে পরিণত করে। যুগে যুগে নবী-রাসূলগণ মানুষকে তাওহীদের প্রতি আহবান জানিয়ে গেছেন। এই দাওয়াত পৃথিবীর যেখানেই পৌঁছেছে, সেখানেই রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে মানবতার দুশমনদের মধ্যে হৃৎকম্পন শুরু হয়েছে। সাথে সাথে তাওহীদের কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য তারা তাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। ইব্রাহীম (আঃ)-এর বিরুদ্ধে নমরূদের শত্রুতা, মূসা (আঃ)-এর বিরুদ্ধে ফেরাঊনের অভিযান, ঈসা (আঃ)-এর বিরুদ্ধে তৎকালীন সম্রাটের হত্যা প্রচেষ্টা, শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর বিরুদ্ধে গোটা আরবের কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর সম্মিলিত উত্থান- এ সবকিছুই আমাদেরকে উপরোক্ত কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। বলা বাহুল্য যে, মানব জীবনে তাওহীদ প্রতিষ্ঠার জন্যই নবীদের আগমন ঘটেছিল। এক্ষণে তাওহীদ থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণ অনুসন্ধানের পূর্বে আমরা তাওহীদের পটভূমি সম্পর্কে কিছু আলোচনা করতে চাই