আল−াহ বলেছেন, ‘তিনি মৃত্যু ও জীবনকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের পরীক্ষা
করার জন্য, কে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সুন্দর আমল করে? (মুল্ক-মাক্কী
৬৭/২)। তিনি স্বীয় রাসূলকে বলেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মৃত্যুবরণ করবে এবং
তারাও মৃত্যুবরণ করবে’ (যুমার-মাক্কী ৩৯/৩০)। তাছাড়া দল-মত নির্বিশেষে
সবাই আমরা চাক্ষুষ দেখছি যে, মানুষ মরছে। যার উপরে কারু কোন হাত
নেই। ডাক্তার-ঔষধ কোন কিছুই মৃত্যুকে ঠেকাতে পারছে না। ‘জন্মিলে
মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে, চির স্থির কবে নীর এ অবনী পরে’।
তাছাড়া যদি কেউ এ পৃথিবীতে চিরস্থায়ী হ’তেন, তাহ’লে আমাদের
প্রিয়নবী মুহাম্মাদ (ছাল−াল−াহু ‘আলাইহে ওয়া সালাম) চিরস্থায়ী হ’তেন।
৬
৬ হায়াতুন্নবী (ছাঃ)
কিন্তু আল−াহ তাঁকেও দুনিয়ায় রাখেননি। কবরে গিয়ে তিনি কারু কোন
ভাল-মন্দ করতে পারছেন না। তাঁর কবরের পাশেই মসজিদে নববীতে
ইমামতি করা অবস্থায় প্রিয় সাথী ও ২য় খলীফা ওমর (রাযিয়ালাহু ‘আনহু)-
কে আততায়ীর হামলা থেকে তিনি বাঁচাতে পারলেন না। অন্যতম জামাতা
৩য় খলীফা ওছমান (রাঃ)-কে মসজিদে নববীর নিকটস্থ বাসায় বিদ্রোহীদের
হামলা ও নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড থেকে রক্ষা করলেন না। যদি কবরে গিয়ে তাঁর
কিছু করার ক্ষমতা থাকত, তাহ’লে তিনি স্বীয় উম্মতকে বিভিন্ন বিপদাপদ
থেকে রক্ষা করতেন। কিন্তু এসবের কিছুই ঘটছে না। ছাহাবায়ে কেরাম
থেকেও এরূপ কোন প্রমাণ নেই। অথচ এক শ্রেণীর আলেম কুরআনের
অপব্যাখ্যা করে স্রেফ কষ্ট কল্পনার মাধ্যমে হায়াতুন্নবী প্রমাণের ব্যর্থ চেষ্টা
করছেন।