‘ইক্বামতে দ্বীন’ অর্থ ইক্বামতে তাওহীদ। অর্থাৎ মুমিনের সার্বিক জীবনে এক আল্লাহর দাসত্ব কায়েম করা। যা দু’ভাবে হয়ে থাকে। ১. আল্লাহর আদেশ-নিষেধ ও বিধি-বিধান সমূহের যথাযথ অনুসরণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে। ২. আল্লাহ বিরোধী সকল প্রকার জাহেলিয়াতের বিরুদ্ধে আপোষহীন থাকার মাধ্যমে। আমর বিল মা‘রূফ ও নাহি ‘আনিল মুনকার তথা ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধ যার সার্বক্ষণিক নীতি হিসাবে অনুসৃত হয় (আলে ইমরান ৩/১১০)। যোগ্য আমীরের অধীনে নিবেদিতপ্রাণ একদল কর্মীর জামা‘আতবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে যা সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভ করে (নিসা ৪/৫৯; ছফ ৬১/৪)। এভাবেই আল্লাহ মুসলিম উম্মাহকে মানব জাতির উপরে সাক্ষ্যদাতা ‘মধ্যপন্থী উম্মত’ হিসাবে সম্মানিত করেছেন (বাক্বারাহ ২/১৪৩)।
অনুবাদ : ‘তিনি তোমাদের জন্য দ্বীনের ক্ষেত্রে সে পথই নির্ধারিত করেছেন, যার আদেশ তিনি দিয়েছিলেন নূহকে এবং যা আমরা প্রত্যাদেশ করেছি তোমার প্রতি ও যার আদেশ দিয়েছিলাম আমরা ইবরাহীম, মূসা ও ঈসাকে এই মর্মে যে, তোমরা দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত কর ও তার মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করো না। তুমি মুশরিকদের যে বিষয়ের দিকে আহবান জানিয়ে থাক, তা তাদের কাছে অত্যন্ত কঠিন মনে হয়। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা মনোনীত করেন। আর তিনি পথ প্রদর্শন করেন ঐ ব্যক্তিকে, যে তাঁর দিকে প্রণত(শূরা ৪২/১৩)। হয়’