দেশে দেশে পরাশক্তিগুলির অব্যাহত যুলুম ও নির্যাতনে অতিষ্ঠ মানবতা যখন ইসলামের শান্তিময় আদর্শের দিকে দ্রুত ছুটে আসছে, তখন ইসলামকে সন্ত্রাসী ধর্ম হিসাবে প্রমাণ করার জন্য তারা তাদেরই লালিত একদল বুদ্ধিজীবীর মাধ্যমে কুরআন-হাদীছের অপব্যাখ্যা করে চরমপন্থী দর্শন প্রচার করছে। অন্যদিকে নতজানু মুসলিম সরকারগুলিকে দিয়ে তারা ইসলামের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক কার্যকলাপ সমূহ চালিয়ে যাচ্ছে। অতঃপর জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে একদল তরুণকে অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সন্ত্রাসী তৎপরতায় লাগানো হচ্ছে। আর তাকেই জঙ্গীবাদ হিসাবে প্রচার চালিয়ে ইসলামকে সন্ত্রাসবাদী ধর্ম বলে বদনাম করা হচ্ছে। অতঃপর সন্ত্রাস দমনের নামে বিশ্বব্যাপী নিরীহ মুসলমানদের রক্ত ঝরানো হচ্ছে। বাংলাদেশে একই পলিসি কাজ করছে। ফলে শান্ত এই দেশটিকে অশান্ত করার জন্য সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদকে বিভিন্নভাবে উস্কে দেওয়া হচ্ছে।
Share:
SKU:SBHFB-12
Category:হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
Tags:N/A
(১) ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাকে জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে(২) সংশ্লিষ্টদের চরমপন্থী আক্বীদা সংশোধনের জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। (৩) দেশে সুশাসন কায়েম করতে হবে (৪ গুম, খুন, অপহরণ ও নারী নির্যাতন সহ ইসলামের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক সকল কার্যক্রম বন্ধের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। নইলে সমাজের ধূমায়িত ক্ষোভ থেকে সন্ত্রাসবাদ জনগণের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করবে। শেষের দু’টি সরকারের একক দায়িত্ব। প্রথম দু’টি সরকার এবং সমাজ সচেতন আলেম-ওলামা ও ইসলামী সংগঠনসমূহের দায়িত্ব। যাতে শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রকৃত ইসলাম ও ইসলামী আক্বীদা শিশু ও তরুণদের হৃদয়ে প্রোথিত হয়। সেই সাথে ব্যাপক প্রচার ও সাংগঠনিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করে তোলা যায়। নিম্নে জিহাদ ও ক্বিতাল বিষয়ে চরমপন্থীদের বই-পত্রিকা ও ইন্টারনেট ভাষণ সমূহের জবাব দানের মাধ্যমে আমরা জনগণকে সতর্ক করতে চাই। যাতে তাদের মিথ্যা প্রচারে মানুষ পদস্খলিত না হয়। আমরা সকলের হেদায়াত কামনা করি। নিঃসন্দেহে হেদায়াতের মালিক আল্লাহ।
উপরে বর্ণিত চারটি পরামর্শের মধ্যে দ্বিতীয়টি অর্থাৎ চরমপন্থী আক্বীদা সংশোধনের বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কেননা মুসলমানদের মধ্যে ইসলামের ব্যাপারে প্রধানতঃ শৈথিল্যবাদী ও চরমপন্থী দু’টি দল রয়েছে। যার কোনইসলামের সঠিক আক্বীদা হ’ল মধ্যপন্থা। যা আল্লাহ পসন্দ করেন এবং প্রকৃত মুসলমানগণই যা লালন করে থাকেন।জঙ্গীবাদের মূলোৎপাটন করতে চাইলে এর বিশ্বাসগত ভ্রান্তির দিকটা স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। সেটা পরিষ্কার হ’লে আশা করি অনেকে ফিরে আসবে।